দেহ-মন
প্রেম
প্রেম বড়ই অমূল্য বস্তু। পৃথিবী হতে সূর্য সরে গেলে পৃথিবী অসার ও নির্জীব হয়ে নিজের অস্তিত্ব বিনষ্ট হয়ে যাবে। তদ্রূপ প্রাণীর চিত্ত হতে প্রেম অপহরণ করলে প্রাণী এক মুহূর্তও বাঁচতে পারবে না। প্রেমের দ্বারাই জগত্-জীব রসাল রয়েছে। এটি আবার নানা প্রকার যথা কামজ প্রেম, রূপজ প্রেম, গুণজ প্রেম, নিঃস্বার্থ প্রেম, স্বাভাবিক প্রেম ইত্যাদি।
দেহ-মন
স্থূল জগতে তিনটি নদীর সঙ্গমস্থানকে ত্রিবেণী বলে। যথা-গঙ্গা, পদ্মা, যমুনা যেই স্থানে মিলিত হইয়াছে, সেই সংগম স্থানের নাম ত্রিবেণী। উহা হিন্দুদের তীর্থস্থান। বাত্সরিক গঙ্গাস্নানার্থে হাজার হাজার লোকের সমাবেশ হয়। তাঁহাদের মতে গত বত্সর ধরিয়া যাহা পাপ করিয়াছি, এই ত্রিবেণী নীরে গোসল করিলে সমুদয় পাপের কালিমা বিধৌত হইয়া পবিত্র চিত্ত হইয়া যায়। সকাল, সন্ধ্যা ও নিশি।…
ত্রিধারা
ত্রিধারা শব্দের অর্থ তিনটি প্রবাহ। এই জগতের প্রাকৃতিক লীলাক্ষেত্র যে মহাকালের আবর্তন চলিতেছে, ইহাতে যাবতীয় মানব ও প্রাণীর জন্য তিন ধারা নির্ধারিত আছে। যথা-জন্ম, জীবন-মৃত্যু। এই জগতে কালের ধারা স্রোত অনুসারে কামনা-বাসনা ভোগাদির পূরণের জন্য মানবরূপে জন্ম লইয়া ধরাধামে আগমন করার নাম জন্মধারা।
সংসার জগত…..
জগতে জন্মগ্রহণ করে রীতি অনুসারে সমাজবদ্ধ হয়ে স্ত্রী-পুত্রসহ সংসার করে বসাটা দোষের নয়। কিন্তু স্ত্রী-পুত্র, ধনদৌলত, পরিবারবর্গ ইত্যাদি খণ্ড বস্তুর সঙ্গে মনের আসক্তি সংযুক্ত থাকা ভয়ঙ্কর দোষের ব্যাপার। সংসার আসক্ত-মন
সাধুর তিনটি বিষয়ের প্রতি বিশেষ লক্ষ রাখতে হয় !!!
সাধুর বাক্যের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগ দিতে হয় ও তা বিশেষভাবে হূদয়ঙ্গম করা একান্ত আবশ্যক। সাধুর কার্যকলাপ পরিলক্ষণ করা একান্ত দরকার। সাধুর অন্তর্নিহিত নিঘোরতত্ত্ব উপলব্ধি করার জন্য যারপরনাই চেষ্টা করতে হয়। আমি কিছু জানি না এই বোধ নিয়ে সাধুর নিকট বসে উক্ত বিবিধ অবস্থা উপলব্ধি করার নাম সাধুসঙ্গ।
উপলব্ধি
উপলব্ধি ও তার পরের ধারণারাজির মধ্যে সত্য আছে, প্রথম প্রথম চেষ্টা করেও বেশি সময় ধরে একাগ্র হওয়ার প্রয়োজন আছে। কারণ প্রকৃতি এবং চেতনা তখনও প্রস্তুত হয়নি। কিন্তু তখনও একাগ্রতা যদি স্বাভাবিক ও ধীর-শান্ত হয় তাহলে ভালো। কিন্তু যখন চেতনা ও প্রকৃতি প্রস্তুত হবে তখন কোনোরূপ চেষ্টা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়রূপে ও