সাধুর বাক্যের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগ দিতে হয় ও তা বিশেষভাবে হূদয়ঙ্গম করা একান্ত আবশ্যক। সাধুর কার্যকলাপ পরিলক্ষণ করা একান্ত দরকার। সাধুর অন্তর্নিহিত নিঘোরতত্ত্ব উপলব্ধি করার জন্য যারপরনাই চেষ্টা করতে হয়। আমি কিছু জানি না এই বোধ নিয়ে সাধুর নিকট বসে উক্ত বিবিধ অবস্থা উপলব্ধি করার নাম সাধুসঙ্গ।
* মনের স্বভাব সর্বদা চিন্তায় ব্যাপৃত থাকে। কথায় বলে‘চিন্তাশূন্য মন নাই, রোগশূন্য দেহ নাই’। চিন্তাকে বহুধাবিভক্ত করা গেলেও মোটামুটি দুইভাবে বিভক্ত করা ভালো। সত্ চিন্তা ও অসত্ চিন্তা। হূদয় সাগরে চিন্তা তরঙ্গের অন্ত নাই বটে, তন্মধ্য হতে একটি সত্ নির্বাচন করে তার মনকে নিবদ্ধ করলেই সত্ চিন্তাশীল মন বলা যায়। অর্থাত্ আকাশ বিহারী বিহঙ্গ যেমন দূরাকাশে ইতস্তত ঘুরে বেড়ায় সত্গুরু আদ্দিষ্ট মন তদ্রূপ হূদয়াকাশে ঘুরে বেড়ায় অনবরত। এই স্বভাবী মনকে চিন্তাশীল মন বলা হয়।