উপলব্ধি ও তার পরের ধারণারাজির মধ্যে সত্য আছে, প্রথম প্রথম চেষ্টা করেও বেশি সময় ধরে একাগ্র হওয়ার প্রয়োজন আছে। কারণ প্রকৃতি এবং চেতনা তখনও প্রস্তুত হয়নি। কিন্তু তখনও একাগ্রতা যদি স্বাভাবিক ও ধীর-শান্ত হয় তাহলে ভালো। কিন্তু যখন চেতনা ও প্রকৃতি প্রস্তুত হবে তখন কোনোরূপ চেষ্টা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়রূপে ও সহজেই একাগ্রতা আসবে। পরিশেষে এ সত্তার স্বাভাবিক ও স্থায়ী অবস্থা হয়ে দাঁড়াবে-এ আর তখন একাগ্রতা থাকবে না-তখন তা হয়ে উঠবে আল্লাহ সমর্পিত আত্মার অবস্থারূপে।
এ কথা সত্য যে প্রথমে একাগ্র হওয়া ও একই সময়ে বাইরের কাজ করা সম্ভব নয়। কিন্তু পরে তা সম্ভব হবে। চেতনা তখন দু’ভাবে ভাগ হবে-অভ্যন্তরীণ চেতনা তখন আল্লাহ সমর্পিত হয়ে থাকবে আর বাইরের চেতনা বাইরের কাজ করবে অথবা সবটাই এমন সমন্বয়িত হয়ে থাকবে যে শক্তি তখন নির্বিরোধী দেহযন্ত্রের মধ্য দিয়ে কাজ করে চলবে।