Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the newsmatic domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/boichitrojibon/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
প্রাকৃতিকভাবে ঘর ঠান্ডা রাখার উপায় – BoichitroJibon

প্রাকৃতিকভাবে ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদহে বাইরের গরম থেকে বাঁচতে সবাই চায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাইরের কাজ শেষ করে ঘরে ফিরতে। কিন্তু যে আশায় ঘরে ফেরার এতো তাড়াহুড়ো তার পুরোটাই গুড়েবালি। কেননা ঘরের আবহাওয়া ও বাইরের আবহাওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। কিন্তু তাই বলে তো ঘর ছেড়ে আবার বাইরে বের হওয়া যাওয়া সম্ভব নয়। এই গরমের মধ্যেই ঘরে থাকতে হবে। তবে কিছু উপায় অবলম্বন করে আমরা এসি ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে ঘরকে ঠান্ডা রাখতে পারি। আসুন সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিই।

*** প্রয়োজনের অতিরিক্ত আলো জ্বালাবেন না। বাড়তি আলো কয়েক ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

*** দিনের বেলায়, বিশেষ করে মধ্য দুপুরের আগেই ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দিন। সূর্য পাটে বসার পর আবার খুলে দিন। দুপুরের গরমটা ঘরে ঢুকতে না পারলে কম পক্ষে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা নেমে যাবে, অর্থাৎ ঠাণ্ডা থাকবে আপনার ঘর।

*** ঘরের যে অংশে রোদ পড়ে, সেদিকের জানালায় আলোনিরোধী কাচ ব্যবহার করুন। খরচ কমাতে চাইলে কাঠ বা স্টিলের পাতলা প্লেনশিটের জানালা দেওয়া যেতে পারে। জানালার কাচগুলোয় সাদা রং করে দিতে পারেন। যদি কোনোটিই করতে না চান, তাহলে জানালার শার্সিগুলোয় স্কচটেপ দিয়ে সাদা কাগজ সেঁটে দিন। দেখবেন ঘর ঠাণ্ডা থাকছে।
ঘর ঠাণ্ডা রাখতে ছাদে আম বা ঝোপজাতীয় ছোট গাছ লাগান। লাউ-কুমড়ার মাচাও খুব কাজে দেবে। লতানো গাছ বিল্ডিংয়ের চারদিকে নামিয়ে দিতে হবে। এতে পাশের দেয়ালও ঠাণ্ডা থাকবে।

*** রাতের বেলা টেবিল বা পোর্টেবল ফ্যানটি জানালার কাছে নিয়ে চালিয়ে দিন। এটি বাইরের ঠাণ্ডা হাওয়া ভিতরে নিয়ে আসবে এবং ঘরের অসহনীয় গরম দূর হবে।

*** ইনস্ট্যান্ট এসির সুবিধা পেতে টেবিল ফ্যানের সামনে গামলা ভর্তি বরফ রেখে ফ্যান চালিয়ে দিন অথবা একটি পানির বোতল বরফ করে ফ্যানের সামনে রাখুন। । এর ফলে যখনই ফ্যান চালাবেন বাতাসের সাথে বরফের ঠাণ্ডা হাওয়া যোগ হয়ে এসির মতই কাজ করবে।

*** লাল-হলুদ রঙের আলো সব সময় গরম বাড়ায়। এই গ্রীষ্মে হলদে আলোর বাল্ব গুলো বদলে ফেলুন সাদা আলো দিয়ে। এনার্জি বাল্বে ঘর যেমন ঠাণ্ডা থাকবে, তেমনই খরচও বাঁচবে।

*** বাসা অতিরিক্ত গরম থাকার আরও একটি কারণ হচ্ছে বিনা প্রয়োজনে ইলেক্ট্রনিক জিনিস অন করে রাখা। অনেককেই দেখা যায় কারণ ছাড়াই টেলিভিশন, ফ্যান, বাতি, কম্পিউটার ইত্যাদি অন করে রাখেন। এর ফলে ঘরের তাপমাত্রা আরও বেড়ে গিয়ে অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া তৈরি করে। তাই বিনা প্রয়োজনে এসব জিনিস বন্ধ করে রাখবেন।
রান্নার পর অবশ্যই গ্যাসের চুলা বন্ধ রাখবেন।

*** যদি সম্ভব হয় তবে বাড়ির পূর্ব ও পশ্চিম পাশে বেশি করে গাছ লাগান। এটি হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি ইনভেস্টমেন্ট। বাসার আশেপাশে গাছ থাকলে সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে না যার ফলে ঘরের পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকে।

*** গরমে মেঝের কার্পেট তুলে ফেলে ব্যবহার করুন শতরঞ্জি অথবা শীতলপাটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.