সেনসিটিভ বা সংবেদনশীল ত্বক পরিষ্কার রাখা দরকার। তাই বলে সারাদিন চার থেকে পাঁচবারের বেশি মুখ পরিষ্কার করতে হবে, এটাও ঠিক না।
স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য ঘরোয়া উপায়েক্লিনজার, টোনার ও ময়েশ্চারাইজার তৈরির পদ্ধতি জানিয়েছেন অ্যারোমাথেরাপিস্ট ও আকঙ্ক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুলিয়াআজাদ।
ক্লিনজার:টোমেটো রসে চার থেকে পাঁচ চা-চামচ দুধ মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। তুলায় এই মিশ্রণ নিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। এছাড়া এই মিশ্রন ত্বকে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫মিনিট রাখুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মধু ও দইয়ের মিশ্রণও সেনসিটিভত্বক পরিষ্কার রাখার জন্য বেশ উপকারী।
ময়েশ্চারাইজার:এক কাপগোলাপপানি, অর্ধেক কাপ গোলাপের পাপড়ি দিয়ে একটু গরম করে নিন। তারপর পাপড়িছেকে নিয়ে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন ও অ্যালোভেরার রস মেশান। ফ্রিজে রেখেব্যবহার করতে পারবেন।
মধু ও গোলাপজলের মিশ্রণ ত্বক নরম রাখতে দারুণ কাজে দেয়। ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
টোনার: এক কাপ শসার রস ও এক কাপ গাজরের রসমিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। যখনই মুখ পরিষ্কার করবেন, ময়েশ্চরাইজার লাগিয়েতারপর অবশ্যই এই টোনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
এই তিনটি ধাপ ঠিকভাবে মেনে চললে ত্বকের সেনসিভিটি নিয়ে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না।
স্পর্শকাতর ত্বকে একটু অসাবধান হলেইজ্বালাপোড়া হয় অথবা র্যাশ বের হয়ে যায়। তাই যখনই কোনো রূপচর্চা করতে গিয়েত্বকে ইরিটেশন বা জ্বালা করছে বলে মনে হবে তখন বুঝতে হবে আপনার ত্বক এইপ্রসাধনী সামগ্রী খাপ খাচ্ছে না।
তাই ত্বক পরিচর্যার জন্য ঘরোয়া যে কোনোকিছু বানিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করুন। যেমন অনেকে ডালবাটা মুখে ব্যবহারকরেন। অনেকে হয়তো আগের দিন বেটে রেখে দেন। এটা কখনোই করবেন না।
ডালবাটা খুব ভালো স্ক্রাবিংয়ের কাজ করে।পাশাপাশি ত্বক পরিষ্কারও করে। তাই টাটকা থাকতে ব্যবহার করলে যে উপকার পাওয়াযায়, পুরানো হয়ে গেলে সে উপকার পাওয়া যায় না। অনেক সময় হিতে বিপরীত হয়।
যদি ব্রন বা র্যাশ থাকে তবে ডালবাটা অথবাকোনো ধরনের দানাদার স্ক্রাব মুখের ত্বকের ক্ষতি করবে। তাই ব্রন থাকলেস্ক্রাবিং করার দরকার নেই।
আর ময়েশ্চারাইজার টোনার এবং ক্লিনজার বানিয়ে ফ্রিজে রেখে চার থেকে পাঁচদিন অনায়াসেই ব্যবহার করা যায়।
আশাকরা যায় এ ধরনের ছোটখাটো ঘরোয়া যত্ন আপনার স্পর্শকাতর ত্বককে করে তুলবে লাবণ্যময়।