অতিরিক্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যুক্ত ক্রিম বা সেরাম ব্যবহার করুন গ্রীষ্মে। কারণ এর ফলে আপনার কোমল ত্বকের কোনও ক্ষতি হবে না। গরমকালে শরীরে বেশি মাত্রায় টক্সিন বা দূষিত পদার্থ জমা হয়। তাই গ্রীষ্মে বেশি জল খাওয়া উচিত।
গরমে ত্বকের যত্নে চাই তেল, ফেইসওয়াস, সানস্ক্রিন ইত্যাদি প্রসাধনী। শীতে ত্বকের প্রয়োজন ছিলো প্রচুর পরিমাণে ‘ময়েশ্চারাইজিং’, তবে গরমে ত্বকের যত্নে নিতে অনেক বেশি কুশলী হতে হবে, কারণ সবকিছুই চাইতে সঠিক পরিমাণে। আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মী ও ঘাম থেকে রক্ষা এবং সতেজভাব ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ।
রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গরমে ত্বক ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে জানা যায়।
সানস্ক্রিন:
গরমকালে, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে কমপক্ষে এসপিএফ ৪০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। ঘামরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করাও জরুরি কারণ এতে ত্বক সতেজ থাকবে ও চিটচিটে হবে না। সূর্যালোকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় থাকলে পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। পানিতে নামলে পানিরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং তা বাইরে যাওয়ার আধা ঘণ্টা আগেই মেখে নিতে হবে।
রোদেপোড়া থেকে বাঁচতে:
সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরও চাই বাড়তি সচেতনতা। যেমন, বাইরে যাওয়ার সময় স্কার্ফ বা টুপি ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বকে অল্পতেই রোদেপোড়া ভাব দেখা দেয় তাদের অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা উচিত।
টোনার:
গরমে ত্বকের স্বাভাবিক পরিচর্যা চালিয়ে যেতে হবে। উচ্চ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ টোনার এড়িয়ে চলতে হবে কারণ, তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক ও ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। প্রাকৃতিক টোনার যেমন, গোলাপজল বা শশার রস ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকে।
তেল বর্জন:
‘ক্যারিয়ার অয়েল’ ও ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ গরমকালে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ‘ক্যারিয়ার অয়েল’ বা বাহক তেল ব্যবহারে ত্বক তৈলাক্ত লাগে এবং ত্বকে নানাধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ ত্বকের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই ব্যবহার করতে হবে ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’য়েল নির্যাস সমৃদ্ধ জেল ভিত্তিক মৃদুমাত্রার ও মানানসই ময়েশ্চারাইজার।
সানস্ক্রিন:
গরমকালে, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে কমপক্ষে এসপিএফ ৪০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। ঘামরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করাও জরুরি কারণ এতে ত্বক সতেজ থাকবে ও চিটচিটে হবে না। সূর্যালোকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় থাকলে পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। পানিতে নামলে পানিরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং তা বাইরে যাওয়ার আধা ঘণ্টা আগেই মেখে নিতে হবে।
রোদেপোড়া থেকে বাঁচতে:
সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরও চাই বাড়তি সচেতনতা। যেমন, বাইরে যাওয়ার সময় স্কার্ফ বা টুপি ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বকে অল্পতেই রোদেপোড়া ভাব দেখা দেয় তাদের অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা উচিত।
ফেইসওয়াস:
বহুমুখী কাজ করে এমন ফেইসওয়াস খুঁজে বের করতে হবে। আদর্শ ফেইসওয়াস ত্বক থেকে দূষণ, মেইক-আপ এবং রোদেপোড়াভাব দূর করে ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখে ও সতেজ রাখে।
টোনার:
গরমে ত্বকের স্বাভাবিক পরিচর্যা চালিয়ে যেতে হবে। উচ্চ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ টোনার এড়িয়ে চলতে হবে কারণ, তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক ও ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। প্রাকৃতিক টোনার যেমন, গোলাপজল বা শশার রস ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকে।
ফেইস মিস্ট:
ব্যাগে সাধারণ ফেইস মিস্ট রাখতে হবে যাতে যেকোন সময় ব্যবহার করতে পারেন।
লিপ বাম:
সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ঠোঁট শুষ্ক ও পানিশূন্য করে ফেলে। লিপ বাম ব্যবহার ঠোঁটকে সূর্য থেকে রক্ষা করে। সানব্লক সমৃদ্ধ লিপ বাম অথবা প্রাকৃতিক উপাদান যেমন, ‘ক্যারট সিড ওয়েল’, কাঠবাদাম তেল, ‘সিয়া বাটার অয়েল’ ও অন্যান্য উপাদানের মিশ্রণে তৈরি লিপ বাম ব্যবহার করতে পারেন।
ফেইস মিস্ট:
ব্যাগে সাধারণ ফেইস মিস্ট রাখতে হবে যাতে যেকোন সময় ব্যবহার করতে পারেন।
তেল বর্জন:
‘ক্যারিয়ার অয়েল’ ও ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ গরমকালে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ‘ক্যারিয়ার অয়েল’ বা বাহক তেল ব্যবহারে ত্বক তৈলাক্ত লাগে এবং ত্বকে নানাধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ ত্বকের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই ব্যবহার করতে হবে ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’য়েল নির্যাস সমৃদ্ধ জেল ভিত্তিক মৃদুমাত্রার ও মানানসই ময়েশ্চারাইজার।