চেতনাকে গেঁথে নিতে হলে শ্বাসের যাতায়াতের ওপর সদা নজর রাখতে হয়। যত নজর রাখা যায় তত চেতনা সচেতন হয়ে ওঠে। পরিশেষে তার যে স্থিতি লাভ হয় তাকেই চৈতন্যপ্রাপ্তি বলে। শ্বাস যোগের উদ্দেশ্য এই চৈতন্যকে লাভ করা। সেজন্য শ্বাসের উদয়-অস্ত বা গ্রহণ-ত্যাগের সঙ্গে সদা বাস করাই বিশেষ শ্বাসযোগ।
যত শ্বাস সঙ্গ করা যাবে তত মন আমাদের গোলাম হয়ে যাবে। শ্বাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে আমাদের শরীর ও মন সুস্থ ও শান্ত থাকে। শ্বাসকে সঙ্গী করার জন্যই সাধুসঙ্গের প্রয়োজন। যত বাহ্য সঙ্গ বাড়ে, তত অন্তর সঙ্গ কমে ও যত অন্তর সঙ্গ বাড়ে, তত বাহ্য সঙ্গ কমে। অন্তর সঙ্গ না বাড়লে নিজের মধ্যে যে আল্লাহ আছে, তার সঙ্গে সাক্ষাত্ হয় না। শ্বাসের সঙ্গ করলে অন্তরীয় দূষণ সহজ শুদ্ধ হয়। অন্তরবায়ু শুদ্ধ হলে আর সবই শুদ্ধ হয়ে যায়, কেননা আমাদের শরীরের ভেতরে শ্বাসবায়ুর মাধ্যমেই সব কার্য সমাধান হয়।