* বিশ্বাস মুখে বললেই বিশ্বাস হয় না। কোনো কথায় বিশ্বাস বেশিদিন থাকে না। হয়তো আমরা আল্লাহ আছে মানি। কিন্তু যতদিন না আল্লাহকে লাভ হয় ততদিন যে বিশ্বাস থাকে, তা অজ্ঞাত বিশ্বাস। আর অজ্ঞাত বিশ্বাস স্বার্থে ঘা লাগলেই ভেঙে যায়। যতদিন আমাদের মন অধীর না হয়, ততদিন বিশ্বাসের ভূমি নড়বড়ে থাকে। কেননা, বিশ্বাস-অবিশ্বাস মনের অবস্থানের ওপরই নির্ভর করে আর মন শ্বাসের চঞ্চলতা ও স্থিরত্বের ওপর নির্ভর করে স্থির-অস্থির হয়।
* বিশ্বাস শ্বাসের গতির ওপর নির্ভর করে। যতদিন শ্বাস চঞ্চল থাকে ততদিন বিশ্বাসের মধ্যে সন্দেহ-সংশয়ও বাসা বেঁধে থাকে ও কারণে-অকারণে মাথাচাড়া দেয়। তাই শ্বাসে শ্বাসে থাকতে থাকতে প্রকৃত বিশ্বাস অন্তরে জেগে ওঠে। এজন্যই যোগপথে শ্বাস সাধনা এক বিশেষ যোগ। শ্বাসের বিশেষ কৌশল দ্বারা শ্বাসের বহির্মুখী গতিকে অন্তর্মুখী গতিতে পরিণত করে নিতে পারলে প্রাণ আয়ত্ত হয়। আর প্রাণ যত আয়ত্ত হয় তত নিজ ও সর্বব্যাপী প্রাণনাথের সঙ্গে আলাপ হয়। একই প্রাণ নিজমধ্যে ও বিশেষ সঞ্চরণশীল, তাই নিজ প্রাণকে ধরতে পারলে বিশ্বের প্রাণের খবর পাওয়া যায়।