মহাচৈতন্য উদ্ভূত একটা প্রাকৃতিক শক্তি। প্রাকৃতিক নিয়মানুযায়ী সৃজন-বাঁচন যেমন মহাশক্তি, মরণশক্তি ও একটা মহাশক্তি। অর্থাত্ দেহের আর্দ্রতা, শীতলতা, উষ্ণতা, শুল্কতা, বায়ু, পিত্তকপের সমতা সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করিয়া দেওয়ার শক্তির নাম যম বা আজরাঈল। এই যমশক্তি শুধু জীবেতে বর্তমান তাহা নহে-যাবতীয় সৃষ্টি পদার্থের সহিত সম্বন্ধ রহিয়াছে। যেমন-ডালিয়া, কমলা ও কলা ইত্যাদি ফলমূল সৃষ্টির সহিত অঙ্কুরে উহার পচিয়া বিনষ্ট হওয়া শক্তি নিহিত আছে। তদ্রূপ প্রত্যেক প্রাণীর দেহে ও দেহ বিনষ্ট হওয়ার শক্তি বা ক্ষমতা ওতপ্রোত অবস্থায় বর্তমান রহিয়াছে, তাহা নির্ধারিত কালাবসানে প্রকাশ পাইয়া দেহতরী বিনাশ ঘটায়। ইহা একটা অসীম করুণাময় আল্লাহতায়ালার প্রাকৃতিক লীলাশক্তি। তাহা না হইলে জগতে স্থবির হইয়া অসংখ্য জীবের অশেষ যাতনার শেষ থাকিত না। এমনকি জগিট একটি বৃহত্ আকার নরকে পরিণত হইত। যম শক্তিরই গুণে জীবের আবির্ভাবের পর প্রস্থান ঘটাইতেছে।
বৈচিত্র্য জীবন