যাকে আপন মনে করি, তাহার দেওয়া কোনো বিপরীত আঘাত সহ্য করা দুষ্কর হইয়া পড়ে।‘এক বৃদ্ধ নির্জন মসজিদের গৃহের কোনো সংসার আলয়ে বসিয়া গুনগুন রবে ক্রন্দন করিতেছিল। হঠাত্ আমি প্রবেশ করিতে সে ক্রন্দন লুকাইতে পারে নাই। কারণ জিজ্ঞাসা করিয়া জানিতে পারিলাম, তার স্নেহের পুত্র নাকি তাহাকে অপমান করিয়াছে। ইহাতে প্রতীয়মান হয় যে, অপরকে আপন জানিয়া সাথে সাথে দুঃখ-ভোগী, পরকালে আসক্তি লইয়া মরি। জগতে যাবতীয় দুঃখ-দৈন্য, দুর্দশা-মানবের সম্পদ। ইহা মানবের জন্য নির্ধারিত। দুঃখ-দুর্দশার দ্বারা অন্তর বিগলিত হইয়া জগতের সহিত মানবের ভালো পরিচয় মেলে। দুঃখের ঘাত-প্রতিঘাত যত বাড়ে, তত খোদাকে আঁকড়াইয়া ধরে। সুতরাং দুঃখ আমাদের নির্ধারিত অন্তরের তোলা জিনিস। ইহা নির্বিবাদে ভুগিয়া যাওয়াই রেয়াজত বা সংযম।
বৈচিত্র্য জীবন