এখন আবার চুল লম্বা করার ফ্যাশন চলে এসেছে যা কিছুদিন আগেও ছিল না। এখন নারীরা চুল লম্বা রেখে তা রিবন্ডিং করছেন বা বিভিন্ন কাটে সাজিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে নারীদের সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটি হয় তা হল চুল লম্বা হতে চায় না। একটু লম্বা হলেই চুলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন চুলের আগা ফাটা, চুল পড়ে যাওয়া, রুক্ষ হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত খুসকি হওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। যার ফলে চুল লম্বা হয় না। এসব সমস্যার সমাধান আছে সহজ কিছু নিয়মে।
সুস্থ জীবনচর্চা : চুল লম্বা করতে চাইলে সুস্থ একটি জীবনচর্চার মাধ্যমে আপনাকে চলতে হবে। স্বাস্থ্যকর একটি খাবার তালিকা তৈরি করতে হবে। পুষ্টিকর বিভিন্ন শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে যা চুলের বিভিন্ন প্রোটিন প্রদান করবে এবং চুল বড় হতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি নিয়ম মত গোসল, খাওয়া এবং ঘুমানোও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।
নিয়মিত চুল ছাঁটা : চুল ছাঁটলেই যে চুল আর বড় হবে না, এমন কোনো কথা নেই। স্বাস্থ্যকর খাবারে চুলের গ্রোথ এমনিতেই বেশি হবে। তাছাড়া নিয়মিত চুল না ছাঁটলে চুলের আগা ফেটে চুল বড় হওয়াকে বাধাগ্রস্থ করে। তাই নিয়মিত চুল কাটলে চুল বড় হওয়ার গতি বাড়ে।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার : ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারে চুল স্বাস্থ্য উজ্জ্বল আর মোলায়েম হয়। এছাড়া এই উপাদানটি চুলের গোড়াকে শক্ত করে চুল লম্বা করতে সহায়তা করে। চুলে ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে ডিমের কুসুম, টক দই ইত্যাদি উপাদান।
নিয়মিত তেল দিন : তেল চুলের পুষ্টি যুগিয়ে থাকে এবং চুল বড় করতে সহায়তা করে। এর জন্য নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল, ক্যাস্টরঅয়েল ইত্যাদি হালকা গরম করে ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে চুলের গোড়া শক্ত, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে এবং চুল লম্বা করে।
তাপ দেয়া থেকে বিরত থাকুন : আমরা অনেক সময়ে চুলের বিভিন্ন ধরনের ট্রিটমেন্ট বা স্টাইল করতে চুলে তাপ দিয়ে থাকি যা চুলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ধরনের চুলের তাপে চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। তাই চুল লম্বা করতে চাইলে এই চুলে এই তাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। চুল লম্বা করতে চাইলে সুস্থ একটি জীবনচর্চার মাধ্যমে আপনাকে চলতে হবে। স্বাস্থ্যকর একটি খাবার তালিকা তৈরি করতে হবে। পুষ্টিকর বিভিন্ন শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে যা চুলের বিভিন্ন প্রোটিন প্রদান করবে এবং চুল বড় হতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি নিয়ম মত গোসল, খাওয়া এবং ঘুমানোও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।