চমৎকার এই মিষ্টান্ন আপনিও রান্না করে মাঝে মাঝে আপনার শিশুদের, বুড়োদের দিতে পারেন। আশা করি ভাল লাগবে। খুব সহজ রান্না কিন্তু আগেই বলে দেই, এই রান্না শুরু করে, এক মিনিটের জন্যও চুলা ছেড়ে কোথায়ও যেতে পারবেন না, মানে যাওয়া উচিত হবে না!
প্রয়োজনীয় উপকরনঃ
– পোলাউ চালঃ এক/দেড় কাপ (ভাল সুগন্ধি চাল হলে ভাল হয়)
– দুধঃ এক লিটার (হাফ লিটারের কিছু বেশী হতে পারে, আপনি ইচ্ছা করলে আরো বেশী নিয়ে জ্বাল দিয়ে কমিয়ে নিতে পারেন)
– চিনিঃ যেমন পছন্দ (বেশি না দেয়াই উত্তম)
– দারুচিনিঃ কয়েক টুকরা (না থাকলে নাই)
– এলাচিঃ কয়েকটা
– কিসমিসঃ কয়েকটা
(পরিবেশনে আপনি চাইলে কিছু কাজু বাদাম কেটে দিতে পারেন)
প্রণালি:
একটা পাত্রে দুধ গরম করুন এবং কিছুটা গাঢ় করে নিন।
কয়েকটা এলাচ দিয়ে দিতে পারেন। (আমরা দারুচিনি দেই নাই। দিলেও চলত।)
দুধ গাঢ় হয়ে গেলে ধুয়ে এবং পানিতে রাখা চাল ছেঁকে দিয়ে দিন।
চাল নরম হয়ে এলে ঘুটনী দিয়ে ঘুটে দিন, সব চাল না ভাঙলে চলবে, তবে বেশীর ভাগ ভেঙ্গে এবং গলে যাবেই।
মধ্যম আঁচে আগুন জ্বলবে এবং আপনাকে নাড়াতে হবে। চাল নরম হয়ে এলে পরিমান মত চিনি দিন।
আগুন চলুক। আপনি নাড়াতে থাকুন। আরো কিছু গাঢ় হয়ে যাবে।
এবার কিছু কিসমিস দিয়ে দিন। এবং নাড়ান, নাড়ান।
এমন একটা বুঁদ বুঁদ অবস্থায় এসে যাবে এবং চাল দুধ মিলে মিশে একাকার হয়ে যাবে।
ব্যস গরম থাকাবস্থায় বাটিতে ঢেলে নিন। হয়ে গেল পায়েস।
ঠান্ডা কিংবা হালকা গরম যে কোন ভাবেই পরিবেশন করতে পারেন। দুই অবস্থার দুই মজা!
* চিনির বদলে খেজুরের গুড় বা আঁখের গুড় ব্যবহার করা যেতে পারে। যে কোন গুড়ের পায়েস ও খেতে মজাদার। তবে সে ক্ষেত্রে পায়েসের রং ভিন্ন হয়ে যাবে।