Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the newsmatic domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/boichitrojibon/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
কোঁকড়া ফ্রিজি চুলকে সোজা আর সিল্কি করুন ঘরে বসেই – BoichitroJibon

কোঁকড়া ফ্রিজি চুলকে সোজা আর সিল্কি করুন ঘরে বসেই

আমরা আধুনিক যুগের মেয়েরা খুব ভালোভাবেই জানি চুলের জন্য ফ্ল্যাট আয়রন বা কার্লারের হিট কতটা ক্ষতিকর। কিন্তু তারপরও ফ্ল্যাট আয়রনটা যেন আমাদের চুম্বকের মত টানে। আর আমরা চুলে আয়রন ব্যবহার করতে করতে চুল ড্রাই, ফ্রিজি করে চুলের স্বাস্থ্যের বারটা বাজিয়ে তারপরই যেন শান্তি পাই। চলুন আজ জেনে নিই কীভাবে কোন ধরনের হিট বা ড্যামেজ ছাড়াই রেগুলার চর্চার মাধ্যমে আপনি আপনার ঢেউ খেলানো চুলগুলোকে একটু straight আর silky করতে পারেন। এখানে কিছু কিছু ন্যাচারাউপায় দেয়া হলো-

01. মিল্ক স্প্রেঃ
একটা কুসংস্কার আমাদের দেশে প্রচলিত আছে যে দুধ চুলে মাখলে চুল নাকি পেকে যায়। আপনাদের অবগতির জন্য বলছি এটা একেবারেই মিথ্যা আর ভিত্তিহীন। আপনারা জানেন পাঞ্জাবের নারী পুরুষ অতিরিক্ত রুক্ষ চুল থেকে মুক্তি পেতে খাঁটি দুধ আর ঘি মাথায় দেয়? দুধ চুলের জন্য খুবই পুষ্টিকর আর ভালোমানের কন্ডিশনার। এর রেগুলার ব্যবহার চুলের
রুক্ষতা দূর করে, ফ্রিজি ভাব কমায় আর আস্তে আস্তে চুলের ঢেউ কমিয়ে আনে।
কী কী লাগবে-
-এক কাপ দুধ (কাঁচা বা ফুটানো)
-এক কাপ পানি
-একটি স্প্রে বোতল (নিউমার্কেট বা গাউসিয়াতে পেয়ে যাবেন)
কী করবেন?
-দুধ আর পানি, স্প্রে বোতলের ভেতরে ঢালুন তারপরঝাঁকিয়ে মেশান।
-পুরো চুলে স্প্রে করুন, চুলে মিশ্রণটি দুই ঘণ্টা রাখুন।
-মাইলড শ্যাম্পু দিয়ে মিশ্রণটি ধুয়ে ফেলুন।

 02. নারিকেলের দুধের স্প্রেঃ
আমরা সবাই জানি চুলের স্বাস্থ্যের জন্য নারিকেল তেল কতটা ভালো। কিন্তু জানেন কি? নারিকেলের
দুধে আছে তেলের থেকেও অনেক বেশি পুষ্টি। এটা চুলের জন্য খুবই ভালো কন্ডিশনার স্পেশালি যাদের
চুল অনেক লম্বা, রুক্ষ-শুষ্ক আর ফ্রিজি।

কী কী লাগবেঃ
-এক কাপ ফ্রেশ নারিকেলের দুধনারিকেল পিষে বা ব্লেন্ডারে দিয়ে পিষে তারপর পেষা
নারিকেল ছাঁকুনি দিয়ে ছেঁকে নিলেই পেয়ে যাবেন
একদম তাজা নারিকেলের দুধ।

কী করবেন?
নারিকেলের ঘন দুধ পুরো চুলে লাগান। ২-৩ ঘণ্টারেখে দিন। মাইলড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
নারিকেলের দুধের সাথে হালকা একটু লেবুর রস মিশিয়ে রেখে দিলে পেয়ে যাবেন নারিকেলের ক্রিম।
এই ক্রিম শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করলে খুবই ভালো ফল পাবেন।

০3. কলা আর অলিভ অয়েলের হেয়ার মাস্কঃ
কলা আর অলিভ অয়েল দুটোই চুলে আর্দ্রতা আর পুষ্টি যোগায়। নিয়মিত ব্যবহারে এই মাস্ক কোঁকড়া
চুলের কার্ল হালকা করারও ক্ষমতা রাখে।

কী কী লাগবে
-দুটো পাকা কলা
-দুই চা চামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল

কী করবেন?
-একটা বাটিতে কলা আর অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্মুথ
পেস্ট তৈরি করুন।
-পুরো চুলে মিশ্রণটি লাগিয়ে একটা শাওয়ার ক্যাপ
পরে ফেলুন।
– ২-৩ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন।

০4. ক্যাস্টর অয়েলঃ
জি হ্যাঁ, ক্যাস্টর অয়েল পারে কোঁকড়া চুলকে সিল্কি আর সোজা করতে।

কী কী লাগবে-
শুধু আপনার চুলের লেংথ অনুযায়ী খাঁটি ক্যাস্টরঅয়েল( অন্য কোন তেলে মিশাবেন না)

কী করবেন?
ক্যাস্টর অয়েল হালকা গরম করে চুলে আর স্ক্যাল্পে লাগান। ২-৩ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুধু ক্যাস্টর
অয়েল একবার ধুলে চুল থেকে নাও যেতে পারে। সেক্ষেত্রে নিজের প্রয়োজন বুঝে শ্যাম্পু করুন। এই রেসিপি গুলোই আমি আজ পর্যন্ত ব্যবহার করছি
এবং বলাই বাহুল্য বেশ ভালো ফল পেয়েছি। আমার জন্য সবচেয়ে ভালো কাজ করে নারিকেল দুধ আর
নরমাল দুধ। আমি বলব না এই উপায়গুলো আপনার চুল একদম রিবনডিঙ ট্রিটমেন্টের মত পিন পয়েন্ট
সোজা করে দেবে। কিন্তু চুলের ফ্রিজি ভাব কমিয়ে চুলের ঢেউ গুলো দূর করতে এই কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট
গুলোর আসলেই জুরি মেলা ভার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.