Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the newsmatic domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/boichitrojibon/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
চুল লম্বা না হওয়ার কারণ – BoichitroJibon

চুল লম্বা না হওয়ার কারণ

সব নারীই চায় তার চুল সুন্দর ঘন লম্বা হোক। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা হয় না। কী সেই কারণ? বিশেষজ্ঞরা চুল লম্বা না হওয়ার কারণ আবিষ্কার করেছেন। আসুন জেনে নেই সেই কারণগুলো।

নতুন কেমিক্যাল ব্যবহার
বাজারে হাজার হাজার নতুন চুলের সামগ্রী আসতে থাকে। আর আমরা বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে এ ধরনের কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু, কখনও হেয়ার মাস্ক, কন্ডিশনার প্রভৃতি ব্যবহার করি ও চুলের সঙ্গে নানাবিধ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে থাকি। এর ফলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তেল না লাগানো
সপ্তাহে একবার অন্তত তেল লাগানো উচিত। কারণ তেল চুলের পুষ্টি জোগায়। আর তা না পেলে চুল ক্রমশ রুক্ষ্ম হয়ে যায়। ফলে মাঝখান থেকে ভাঙতে শুরু করে, চুল পড়তে শুরু করে।

ট্রিম না করা
২-৩ মাস অন্তর অন্তর চুল ট্রিম করা উচিত। চুলের দৈর্ঘ্য কম করতে হবে না, কিন্তু স্প্লিট এন্ড এসে গেলে তা বাড়তে পারে না। তাই ট্রিম করার ফলে দুমুখো চুল বেরিয়ে গেলে চুল তাড়াতাড়ি বাড়তে পারে।

প্রতিদিন চুল ধোয়া
যদি প্রতিদিন চুল ধুতে থাকেন তাহলে মাথার প্রাকৃতিক তৈলাক্ত পদার্থ যা চুলকে স্বাভাবিকভাবে ময়শ্চারাইজ করে তা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে চুল রুক্ষ্ম ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে এবং তা ভাঙতে শুরু করে।

বিনুনি বা খোঁপা
যদি চুল সারাক্ষণ বিনুনি বা খোঁপা করা থাকে তাহলে চুলের বৃদ্ধি কম হয়। কারণ লম্বা হওয়ার জন্য উন্মুক্তভাবে শ্বাস নেওয়া প্রয়োজন। সারাক্ষণ চুল বাঁধা থাকলে তা সম্ভব হয় না। তাই এটি একটি অন্যতম কারণ।

ভিটামিন ও প্রোটিনের অভাব
যদি আপনার ডায়েটে ভিটামিন ও প্রোটিনের অভাব হয়, তার প্রভাব চুলেও পড়তে পারে। চুল যদি ঘন ঘন পড়তে শুরু করে তাহলে এটি একটি সংকেত হতে পারে যে আপনার ডায়েট বদলানোর সময় এসেছে।

চিকিৎসার প্রয়োজন
অনেক সময় বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়ে যায় বা চুল লম্বা হয় না। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গরম যন্ত্র ব্যবহার
স্ট্রেটনিং আয়রন, কার্লিং আয়রন, ব্লো ড্রায়ার- এ ধরনের জিনিস অত্যধিক হারে চুলে ব্যবহার করার ফলে বাড়ন্তভাব থেমে যেতে পারে। কারণ এগুলো চুলকে গোড়া থেকে হাল্কা করে দেয়।

ভুল চিরুণি
সরু কাঁটার চিরুণি ব্যবহার করা চুলের পক্ষে ভালো নয়। কারণ এর ফলে চুলে জট হয়ে যায়, চিরুণির সরু কাঁটার জন্য চুল ছিঁড়ে যায়। ফলে চুল গোড়া থেকে হাল্কা হয়ে সহজে পড়ে যায়।

রাতের যত্ন
রাতে শোয়ার সময় চুলের যত্নের জন্য কিছু জিনিস মেনে চলা উচিত যা আমরা মানি না। কখনোই খোলা চুলে শোয়া উচিত নয়। সাটিনের কাপড় দিয়ে চুল পেঁচিয়ে নিয়ে বা বিনুনি করে শুতে যান। নাহলে ঘষা লেগে লেগে চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.