রূপচর্চায় তেজপাতার রয়েছে বেশ কিছু অসাধারণ ব্যবহার। ত্বকের ব্রণ, রিংকেল, চুল পড়ার সমস্যা, চুলের খুশকি, উকুন কিংবা দাঁতের হলদেটে দাগ থেকে মুক্তি দিতে পারে তেজপাতা। চলুন তাহলে দেখে নিই রূপচর্চায় তেজপাতার এমনই কিছু অসাধারণ ব্যবহার।
** মশার কামড় থেকে বাঁচতে
কাঁচা তেজপাতা অলিভ অয়েলে ফুটিয়ে তেজপাতার তেল তৈরি করে নিতে পারেন। এই তেল দেহে মাখলে মশা থাকবে দূরে এবং মশার কামড়ের জ্বালাপোড়া থেকে ত্বকও বাঁচাতে পারবেন।
** ত্বকের ইনফেকশন দূর করতে
তেজপাতার অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের যে কোনো ইনফেকশন দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ছোটখাটো কাটা ছেঁড়া, জখমের দাগ এবং পোকামাকড়ের কামড়ের সমস্যা খুব সহজেই দূর করতে পারেন কাঁচা তেজপাতার রসের মাধ্যমে।
** ব্রণ, রিংকেল দূর করতে
একটি প্যানে ২ কাপ পানিতে ৫ টি শুকনো তেজপাতা নিয়ে ঢেকে জ্বাল দিন। এরপর ঢাকনা খুলে ২ মিনিট জ্বাল দিয়ে একটি সসপ্যানে নামিয়ে নিন। এরপর একটি তোয়ালে দিয়ে মাথাসহ সসপ্যানটি ঢেকে ভাপ আপনার ত্বকে নিন। এভাবে মিনিট দশেক ভাপ নিলেই যথেষ্ট। সপ্তাহে ২ বার এভাবে করুন ব্রণ ও রিংকেল সমস্যার সমাধান করতে।
** হলদেটে দাঁত নিমেষেই সাদা করতে
তেজপাতা গুঁড়ো করে টুথপেস্টের সাথে মিশিয়ে তা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। দেখবেন খুব দ্রুত দাঁতের হলদেটে দাগ একেবারেই দূর হয়ে গিয়েছে। তবে ঘন ঘন এই পদ্ধতি অবলম্বন করবেন না।
** চুল পড়ার সমস্যা এবং খুশকি দূর করতে
পানিতে তেজপাতা ভালো করে ফুটিয়ে তা ছেঁকে নিয়ে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল পড়ার সমস্যা একেবারেই দূর হয়ে যাবে। এছাড়াও তেজপাতার তেল মাথার ত্বকে লাগালে চুলের খুশকি সমস্যা থেকেও দ্রুত রেহাই পাবেন।
**উকুন সমস্যার সমাধান করতে
৫০ গ্রাম তেজপাতা গুঁড়ো করে নিয়ে ৪০০ মিলি পানিতে জ্বাল দিতে থাকুন যতোক্ষণ না ১০০ মিলিতে পৌছায়। শুকিয়ে এলে ছেঁকে পানি আলাদা করে নিন। এই পানি চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে ম্যাসেজ করে নিন। ৩/৪ ঘণ্টা রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। ব্যস, সমস্যার সমাধান।