Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the newsmatic domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/boichitrojibon/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
প্রি-একলাম্পশিয়া কি? – BoichitroJibon

প্রি-একলাম্পশিয়া কি?

প্রি-একলাম্পশিয়া কি? এটা কেন হ্য় ? এটা হওয়ার কারণ তা সম্পর্ক জানার খুব দরকার পর্তিতা গর্ভতি মায়ের৷
প্রি-একলাম্পশিয়া গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ অর্থাত্‌ ৫ মাস পর থেকে দেখা দেয়৷

কারণ

* একবার প্রি-একলাম্পশিয়া হলে
* প্রি-একলাম্পশিয়া পরিবারে কারো হলে
* পরিবারে কারো উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
* যাঁরা বেশি বয়সে মা হন তাদের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে

লক্ষণ
* রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া৷ রক্তচাপ সাধারণত ১৪০/ঌ০ (মিলিমিটার) এর বেশি থাকে
* প্রস্রাবের সাথে প্রোটিন (আমিষ) জাতীয় পদার্থ শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া
* হাত-পায়ে পানি আসা
* অনিদ্রা
* চোখে ঝাপসা দেখা
* উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং নেফ্রাইটিস রোগীদের
* অসহ্য মাথা ব্যথা
* খিঁচুনি
*অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে (প্রসবের সময়, আগে এবং পরে)
*প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া
*বার বার বমি
*পেটের উপর দিকে অসহ্য ব্যথা
*শরীরে ওজন বাড়তে থাকে
* পেটে ব্যথা
* প্রি-একলাম্পসিয়া হওয়ার শুরুতেই শরীরে ওজন বাড়তে থাকে
* সপ্তাহে আধা কেজি ওজন বৃদ্ধি পায়

চিকিৎসা

* প্রি-একলাম্পশিয়া আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত চেকআপ করানো দরকার
* খাবারের সঙ্গে আলাদা লবণ খাওয়া বন্ধ করতে হবে
* প্রোটিন এবং ক্যালোরি যুক্ত খাবার খেতে হবে
* পুষ্টিকর নরম খাবার খেতে হবে
* রাতে গড়ে ৮ ঘণ্টা এবং দিনে ২ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে
* পা ফুলে গেলে পা দুটো বালিশের উপর উঁচু করে রেখে ঘুমাতে হবে
* ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঘুমের ওষুধ এবং প্রেসারের ওষুধ খেতে হবে
* রক্তচাপ, ওজনের চার্ট তৈরি করতে হবে

* প্রস্রাবের সঙ্গে প্রোটিন যাচ্ছে কি না তার চার্ট করতে হবে
* বাচ্চার অবস্থাও বারবার দেখতে হবে
* প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে

সঠিক সময়ে চিকিত্‌সা না করালে নিম্নলিখিত সমস্যা হতে পারে

মায়ের সমস্যা

* প্রস্রাব না হওয়া অথবা অল্প হওয়া
* চোখে কম দেখা এমনকি অন্ধ হয়ে যাওয়া
* বাচ্চা প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়া
* একলাম্পশিয়া বা খিঁচুনি হওয়া

শিশুর সমস্যা
* বাচ্চা মাতৃগর্ভে মারা যেতে পারে
* বাচ্চার বৃদ্ধি ঠিকমত হবে না
* জণ্মের সময় শ্বাসকষ্ট হবে

প্রতিরোধ

* গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত প্রসবপূর্ব চেক-আপের ব্যবস্থা করা
* গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টিকর খাবার ও বিশ্রাম নিশ্চিত করা

প্রসবপূর্ব চেক-আপের সময় শারীরিক ওজন ও রক্তচাপ, পায়ে পানি আসে কিনা, প্রস্রাবে এলবুমিন যায় কিনা এগুলো পরীক্ষা করা উচিত৷

ল্যাব পরীক্ষা

* প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা
* ২৪ ঘণ্টায় প্রস্রাবের প্রোটিন পরীক্ষা
* রক্তে ইউরিয়া, ইউরিক এ্যাসিড এবং ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ দেখা
* এসজিপিটি পরীক্ষা
* পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে বাচ্চার অবস্থা দেখা৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.