Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the newsmatic domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/boichitrojibon/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
শিশুদের যত্ন – BoichitroJibon

কিভাবে বাচ্চাকে নিজে নিজে খাওয়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলব ?

প্রকৃতির নিয়মেই বেড়ে ওঠে শিশু। খেতে চায় নিজ হাতে। আপনি হয়ত বিরক্ত হয়ে ওঠেন ওর ছড়ান ছেটান খাবার দেখে। কিন্তু মোটেও বিরক্ত হবেন না। কারণ এভাবেই শিশু এক সময় নিজে নিজে খেতে শিখে জাবে। আসুন দেখে নেই ব্যাপারটি কিভাবে সামলাবেন। ১. বাচ্চাকে খাওয়ানোর আগে নিজে চেখে খাবারের স্বাদ নির্ধারণ করুণ। ২. বাচ্চাকে একা একা খাতে…

Read More

গরমেও সোনামণিকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ ;

বর্তমানে গ্রীষ্মের খরতাপে অতিষ্ট জনজীবন। এই গরমে ছোট বড় সবার অবস্থাই খুব খারাপ। যদিও একটু আধটু বৃষ্টি হচ্ছে, তবে গরম কিন্তু কমেনি। কখনো কখনো আবার কোথাও বাতাসের কোন নাম গন্ধও পাওয়া যায় না। গরমের যন্ত্রনায় কাতর যেন সব মহল। এসময়ে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে আমাদের পরিবারের ছোট্ট সোনা মনিরা। গরমে ঘেমে শিশুদের ঠাণ্ডা লেগে যায়।…

Read More

গর্ভবতী অবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হতে পারে।

শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতে পারে না। তাই গর্ভবতী মায়েদের উচিত একটি সুস্থ্য, মেধাবী ও স্বাভাবিক শিশুর জন্মের জন্য চেষ্টা করা। এজন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিজের জীবনাচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে বর্জন করা উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, খুব বেশি ওজন হলে প্রি ম্যাচিউর বেবির জন্ম হয়…

Read More

যেখানে শিশুদের ভুলেও নিয়ে যাওয়া উচিৎ নয়

শিশুকে সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে বড় করার দায়িত্ব পিতামাতার। তাই শিশুর জন্য অনুপযুক্ত এমন স্থানে শিশুকে নিয়ে যাওয়া কোন অভিভাবকেরই উচিৎ নয়। প্রতিটা পিতামাতার জন্যই আশীর্বাদ স্বরূপ তাদের ছোট্ট শিশু। তাদের যত্নের ব্যাপারে কোন পিতামাতাই কোন কিছু বাদ রাখেন না। এমনকি অনেক পিতামাতাই আছেন যারা তাদের শিশু সন্তানকে এক মিনিটের জন্য ও চোখের আড়াল করেন…

Read More

যেসব খাবার খেলে গর্ভাবস্থায় বাচ্চার গায়ের রঙ ফর্সা হয়

বিশেষজ্ঞদের মতে খাদ্য নির্বাচনের উপর সন্তানের শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে না, এটা নির্ভর করে তাঁর বাবা-মা এর কাছ থেকে যে জিন পেয়েছে তার উপর। তবে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী গর্ভবতী অবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হতে পারে , এমন কিছু খাবারের তালিকা পরিবারের বয়োবৃদ্ধরা দিয়ে থাকেন।গর্ভবতী মহিলাদের স্বভাবতই খুব বেশি…

Read More

শীতে নবজাতক শিশুর যত্ন

          শিশু মায়ের পেটে উষ্ণ তাপমাত্রায় অবস্থান করে। তাই পৃথিবীর তাপমাত্রায় সে শীত অনুভব করে। তা ছাড়া শিশুর শরীরে তাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা তৈরি হতেও সময় লাগে। তাই শিশুকে উষ্ণ তাপমাত্রায় রাখুন। যদি ঘরের তাপমাত্রা ২৫০ঈ হয়, তবে সুতির কাপড় পরিয়ে কাঁথা দিয়ে মুড়ে রাখুন। এই মাত্রার নিচে হলে সোয়েটার ব্যবহার করতে পারেন। বাচ্চা বুকের দুধ খাওয়ার…

Read More

বাচ্চার মানসিক বিকাশে আপনার যা যা করনীয়

ডিসিপ্লিন হলো একটা শিশুর লাইফে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। বাবা মা হিসেবে ডিসিপ্লিন নিয়ে কখনোই ছাড় দেয়া ঠিক না। একবার সে অবাধ্য হয়ে গেলে বারবার একই কাজ করার চেষ্টা করবে। কথা না শুনলে ছোটখাট শাস্তি দিন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনে উৎসাহী করাঃ ছোট বয়সে আপনার শিশুর মন সব থেকে বেশি কোমল থাকে। এই সময়টাই সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাষ…

Read More

একলাম্পশিয়া বা গর্ভকালীন খিঁচুনি

এক্লাম্পশিয়া মূলত প্রি-এক্লাম্পশিয়ার গুরুতর অবস্থা৷ গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে একলাম্পশিয়া বা গর্ভকালীন খিঁচুনী। নবজাতকের মৃত্যুরও অন্যতম কারণ একলাম্পশিয়া। সা ধারণত ৬ মাস গর্ভধারণের পর অথবা প্রসবের সময় এ উপসর্গ দেখা দেয়। কখনো কখনো প্রসব পরবর্তী অবস্থায়ও এটি দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রসবের কাছাকাছি সময়ে এ রোগ দেখা দেয়। যেসব মায়ের আগে…

Read More

প্রি-একলাম্পশিয়া কি?

প্রি-একলাম্পশিয়া কি? এটা কেন হ্য় ? এটা হওয়ার কারণ তা সম্পর্ক জানার খুব দরকার পর্তিতা গর্ভতি মায়ের৷ প্রি-একলাম্পশিয়া গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ অর্থাত্‌ ৫ মাস পর থেকে দেখা দেয়৷ কারণ * একবার প্রি-একলাম্পশিয়া হলে * প্রি-একলাম্পশিয়া পরিবারে কারো হলে * পরিবারে কারো উচ্চ রক্তচাপ থাকলে

Read More

গর্ভপাত

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সময়ে রক্তপাত হতে পারে। পুরো গর্ভাবস্থাকে তিন ভাগে ভাগ করলে প্রথম তিন মাস, মাঝের তিন মাস ও শেষের তিন মাসের যে কোন সময় রক্তক্ষরণ হতে পারে। যদি কোনো কারণে গর্ভস্থ ভ্রূণ আটাশ সপ্তাহ বা সাত মাসের পূর্বে মাতৃজঠর বা জরায়ু থেকে বের হয়ে যায় তবে তাকেগর্ভপাত বা এ্যাবরশন বলে৷

Read More