Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the newsmatic domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/boichitrojibon/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
গরমে শিশুর যত্ম – BoichitroJibon

গরমে শিশুর যত্ম

গরমে অনেক মায়েরাই শিশুকে ঘন ঘন পাউডার লাগিয়ে দেন এটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। অনেক সময় পাউডার শিশুর কোমল ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। গরমের সময় অধিক তেল ব্যবহার করাও ঠিক নয়। কারণ এতে শিশুরা আরো বেশি ঘেমে যায়। অহেতুক শিশুকে কৃত্রিম কসমেটিক বা পোশাক পরানো উচিত নয়, এতে স্পর্শজনিত নানারকম চর্মরোগ হতে পারে। তাই এই গরমে শিশুর সঠিক যত্ম নিন, আপনার শিশুকে সুস্হ রাখুন।

গরমে শিশুর বিশেষ যত্মের প্রয়োজন। এ সময় শিশুর খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে গোসল ও পোশাক নির্বাচনের সময় মায়েদের বিশেষ যত্মবান হতে হবে। গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘেমে যায়। এ সময় মৌসুমজনিত নানা রকম ত্বকের সমস্যাও দেখা দেয়, তাই শিশুর প্রতি বিশেষ যত্মবান হলে ত্বকের অনেক সমস্যা সহজেই এড়ানো সম্ভব। প্রথমেই আসা যাক খাওয়া-দাওয়া প্রসঙ্গে। গরমে শিশুকে দিতে হবে প্রচুর পানীয় খাবার। ঘরে তৈরি নানারকম ফলের জুস, লেবুর সরবত ও ডাবের পানি শিশুর জন্য ভীষণ উপকারী। এতে করে ঘেমে গিয়ে যে পরিমাণ পানি শরীর থেকে বের হয়ে যায় তার ঘাটতি পুরণ হয়ে যায়, সেই সঙ্গে দিতে হবে শিশুর স্বাভাবিক খাবার।

অত্যধিক গরমেও অনেক সময় শিশুরা খেতে চায় না। এ সময় শিশুকে খাওয়ার ব্যাপারে জোর করবেন না, শিশু খেতে চায় এমন খাবার দিন। আমাদের শরীরের  বাইরের উত্তপ্ত আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই প্রচুর পরিমাণে ঘাম তৈরি করে এবং সরু সরু নালির দ্বারা ঘর্মগ্রন্হি থেকে ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে ত্বকের বাইরে বেরিয়ে আসে। শুধু উত্তাপ নয়, এটা রেচনেরও একটি অঙ্গ। ঘেমে গেলে শিশুর কাপড় পাল্টে দিন, ঘেমে যাওয়া শরীর পাতলা ও নরম কাপড় দিয়ে মুছে দিন। এ সময় শিশুকে প্রতিদিন গোসল করান, গরমকালে অত্যধিক সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, শিশুর কোমল ত্বকের ওপর এক ধরনের সাহায্যকারী ব্যাক্টেরিয়া থাকে, তা অত্যধিক সাবান ব্যবহার করে নষ্ট না করাই ভালো। কারণ এরা নানারকম সংক্রমণ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। সব সময় শিশুকে হালকা সুতির জামা পরাবেন, এমনকি বেড়াতে যাওয়ার সময়ও। শিশু আরাম পাবে এমন পোশাক নির্বাচন করুন। আজকাল বেশির ভাগ মা বেড়াতে যাওয়ার সময় শিশুকে ডায়াপার পরিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, শিশুর ত্বকের যে স্হানে সবচেয়ে বেশি র‌্যাশ বা ফুসকুড়ি হয় তা হলো ডায়াপারে আবৃত স্হান। তাই ঘন ঘন ডায়াপার বদলে দেবেন দীর্ঘক্ষণ ধরে, এক ডায়াপার পরিয়ে রাখবেন না। কাপড়ের ডায়াপার ব্যবহার করলে সেটাকে প্লাষ্টিকের প্যান্ট দিয়ে ঢাকবেন না। যদি ডায়াপার আবৃত স্হানটি লাল হয়, তাহলে ডায়াপার পরানো বন্ধ করবেন। ডায়াপার আবৃত স্হানটি যথাসম্ভব শুকনো রাখতে চেষ্টা করবেন কোমল স্পর্শ, নরম আস্হাদন, উরধঢ়বৎ ৎধংয সেরে উঠতে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.