যুগের সঙ্গে সঙ্গে বদলায় চুলের ফ্যাশনও। বর্তমানে বেশির ভাগ ফ্যাশন সচেতন তরুণী সোজা চুল বেশি পছন্দ করছেন। কারণ সোজা চুল মানেই আঁচড়ানোর ঝামেলা থেকে মুক্তির পাশাপাশি যে কোনো পছন্দসই হেয়ার লুক আনা সম্ভব। সে কারণেই কোঁকড়া চুলকে কৃত্রিম উপায়ে রিবন্ডিংয়ের মাধ্যমে সোজা করা হয়। রিবন্ডিংয়ে রয়েছে নানা ধরনের সিল্ক, পাম্প ও স্ট্রেট। কোনোটির মেয়াদ এক বছর, কোনোটির মেয়াদ ছয় মাস। কিন্তু হেয়ার রিবন্ডিং করার পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনেক বেশি চুল পড়ার অভিযোগ আসে। এ ক্ষেত্রে শুধু চুলই পড়ে না, মাথার ত্বকে লেগে গেলে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে। রিবন্ডিংয়ের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
* রিবন্ডিংয়ে ব্যবহৃত কেমিক্যাল চুলের গোড়া নরম করে দেয়। ফলে হেয়ার রিবন্ডিংয়ের সময় কমবেশি কিছু চুল পড়বেই।
* মাথার স্কাল্ফে শুষ্ক চুলকানি এবং খুশকি হতে পারে।
* চুলের আগাফাটা সমস্যা জটিল আকার ধারণ করার পাশাপাশি চুল রুক্ষ ও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি মাথাব্যথা, স্কিন জ্বলা, মাথার স্কিন ও চুল চুলকানো এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়ার মতো কিছু সমস্যা দেখা যেতে পারে।
এসব সমস্যার হাত থেকে সহজে রক্ষা বা প্রতিকার পেতে হলে হেয়ার রিবন্ডিংয়ের পর কিছু বিশেষ উপায়ে চুলের যত্ন নিতে হবে।
* রিবন্ডিং করা চুল গরম পানি দিয়ে ধোয়া যাবে না, সবসময় ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুলে বা পরিষ্কার করলে চুলের মান ভালো থাকে।
* নিয়মিতভাবে চুলে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে।
* চিকন দাঁতের চিরুনি বর্জন করতে হবে এবং মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াতে হবে।
* ভেজা অবস্থায় চুল বেঁধে রাখা যাবে না।
* চুলে শ্যাম্পু করার আগে সপ্তাহে ৩-৪ বার কুসুম গরম নারকেল তেলের সঙ্গে চুলের ভিটামিন ক্যাপসুল ম্যাসাজ করা যেতে পারে।
* চুল রিবন্ডিং করার পর নতুন করে কোনো কালার, হাইলাইটস বা চুলের স্টাইল না করাই ভালো।
* গোসলের পর চুল খুব ভালোভাবে শুকাতে হবে, এ ক্ষেত্রে সরাসরি সূর্যের আলোয় শুকানো যাবে না।
যত্নে রাখুন রিবন্ডিং চুল