Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the newsmatic domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/boichitrojibon/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
ডায়াবেটিস রোগীর মুখের স্বাস্থ্য – BoichitroJibon

ডায়াবেটিস রোগীর মুখের স্বাস্থ্য

ডায়াবেটিস রোগের জন্য দাঁতের মাড়ি এবং হাড়ে (যা দাঁতকে যথাস্থানে রাখতে সাহায্য করে) ইনফেকশন হতে পারে। অন্যান্য ইনফেকশনের মত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গেলে দাঁতের মাড়িও আক্রান্ত হতে পারে। এই সমস্যাকে প্রতিরোধ করার জন্য বছরে অন্তত দু’বার ডেন্টিস্ট এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং অবশ্যই ডাক্তারকে আপনার ডায়াবেটিস সর্ম্পকে অবহিত করা প্রয়োজন। ডায়াবেটিস রোগীদের দাঁতের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার এটাই প্রধান উপায়।

পরামর্শ সমূহ:

১. ডায়াবেটিস অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন এবং যখনই ডেন্টিস্ট এর কাছে যাবার প্রয়োজন হবে তখনই আপনার ডায়াবেটিসের কথা বলা জরুরী। দাঁতের মাড়ির চিকিত্সার জন্যে ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলা এবং সেই সাথে সার্বিক শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন।

২. দাঁত তোলা বা মুখের সার্জারীর ক্ষেত্রে ইনসুলিনের মাত্রা ও নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে ভালভাবে জানা প্রয়োজন।

৩. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে ইনফেকশন ও এবস্সে (এমন ফোঁড়া যেখানে পুজ থাকে) এর চিকিত্সা করা যেতে পারে তবে তা করতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসার পর।

ডেন্টাল প্ল্যাক:

সবারই দাঁতের মাড়িতে প্ল্যাক থাকে যা আঠালো প্রকৃতির। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের জন্য এই সাধারণ প্ল্যাকই মারাত্মক হতে পারে। কারণ, রক্তে গ্লুকোজের  পরিমাণ বেড়ে গেলে তা জীবাণুকে বেড়ে উঠতে    সাহায্য করে। ফলে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায় এবং সেখান থেকে রক্ত বের হয়।

অধিকতর খারাপ অবস্থা হলে ইনফেকশন দাঁতের মাড়িতে এমনকি হাড় (যা দাঁতকে যথাস্থানে রাখে) পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে এবং এভাবেই দাঁত দুর্বল হয়ে নড়ে গিয়ে পড়ে যেতে পারে, বা একদিন মূল্যবান দাঁতকে হারাতে হতে পারে।

লক্ষণসমূহ:

* দাঁতের মাড়ি লাল হয়ে ফুলে যায়।

* দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে।

* দাঁতের গোড়া থেকে মাড়ি সরে যাওয়ার কারণে দাঁতকে অস্বাভাবিক অবস্থান দেখা যায়।

* যদি দাঁত নড়ে যায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।

* মুখে দূগন্ধ হয়।

* দাঁতের কামড় অস্বাভাবিক অনুভূত হয়।

* অকার্যকর ডেনচার (কৃত্রিম দাঁত) হয়। এই ধরনের কোন সমস্যায় ডেন্টিষ্টের সাথে অবশ্যই পরামর্শ করা প্রয়োজন।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পরামর্শ ও কিছু নির্দেশণ:

* প্রতিবার খাবারের পর নরম ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করা।

* দিনে অন্তত একবার বিশেষত: রাতে খাবার পর ডেন্টাল ফ্লস্ ব্যবহার কর যাতে প্ল্যাক জমতে না পারে।

* ডেনচার (নকল দাঁত) ব্যবহার করলে তা পরিষ্কার রাখা।

* বছরে কমপক্ষে দু’বার ডেন্টিষ্টের শরণাপন্ন হওয়া।

* ডায়াবেটিসের উপস্থিতি সম্পর্কে ডেন্টিসকে জানানো।

* যদি ধূমপায়ী হন তাহলে আপনার ডেন্টিষ্টকে জানানো এবং তা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা। কেননা, এটাও দাঁতের সমস্যার ও চিকিত্সায় এক অন্যতম কারণ।

* যদি দাঁতে অনেক সমস্যা থাকে তবে ডেন্টিষ্ট এবং ফিজিশিয়ানের সাথে কথা বলা এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা। দাঁতের কাজ করার পর কিছু সময় খাদ্য গ্রহণে বিরত থাকা।

* যদি খাদ্য বিরতি কয়েক দিন পর্যন্ত হয় তবে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিয়মিত খাবার শুরু করা এবং কখন আবার ডায়াবেটিস পরীক্ষা করতে হবে তা জেনে নেয়া এবং যে কোন সমস্যায় ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ রাখা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.