শিষ্য প্রথমে গুরুকে জ্ঞানীলোক মনে করে দীক্ষা গ্রহণ করেন। তদীয় আদেশানুযায়ী কর্ম করার ফলে শিষ্যের আত্মোন্নতি বাড়তে থাকে। শিষ্যের জ্ঞান যতই স্তর হতে স্তরান্তর হয় অর্থাত্ শিষ্য যতই উচ্চস্তরে উপনীত হবেন, গুরুকে ততোধিক উচ্চে স্থান দিতে হয়। প্রকৃত প্রস্তাবে শিষ্য যা গুরু তাই। শিষ্য নিজকে যতই বুঝতে পারেন, গুরুও ততোধিক বুঝতে পারেন। পরিশেষে শিষ্য যথায় গিয়ে আত্মপরিচয় সম্পূর্ণ লাভ করে যা হবেন, গুরুকে তা মনে করবেন। প্রথমে গুরু কিন্তু মানুষ। শুধু গুরু নয়, শিষ্যও মানুষ, সাধন বলে জীব সীমা ছাড়াইয়া শিব হলে উভয় শিব। এতে শিষ্যের আর সন্দেহ থাকে না।
শরীর হূষ্টপুষ্ট থাকা সত্ত্বেও ততোধিক স্বাস্থ্যের জন্য ওষুধ সেবন ও কাজ না করে যাতে অটুট স্বাস্থ্যবান হয়ে দীর্ঘায়ু হতে পারি। রোগ, শোক, জ্বরা ব্যাধি মৃত্যু আমার জন্য যেন কিছুই না থাকুক, আমি অমর হতে পারতাম ভালো হতো। এইরূপ সদা শরীরগত মনোসংযোগ থাকার নাম স্বাস্থ্যচিন্তা।